ঢাকা
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি: তুরাগ নদীর তীরে এক ঐতিহাসিক নিদর্শন। ‘বিরুলিয়া’ ঢাকার অদূরে তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত একটি ছোট্ট গ্রাম। এই গ্রামটি তার দশটিরও বেশি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার জন্য বিখ্যাত। গ্রামের শেষ প্রান্তে অবস্থিত জমিদার রজনীকান্ত ঘোষের বাড়ি, যা আজ বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। ঢাকার নিকটে অবস্থিত হওয়ায় এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ ভিড় জমান।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, জমিদার নলিনী মোহন সাহার কাছ থেকে রজনীকান্ত ঘোষ ৮৯৬০ টাকা ৪ আনার বিনিময়ে এই বাড়িটি ক্রয় করেছিলেন। একসময় রজনীকান্ত ঘোষের বিভিন্ন অঞ্চলে জমিদারি থাকলেও এখন কেবল বিরুলিয়ার এই জমিদার বাড়িটিই টিকে আছে, যা দখলদারিত্বের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
বর্তমানে এই বাড়িতে জমিদার রজনীকান্ত ঘোষের বংশধররা বসবাস করছেন। বাড়ির মূল অংশ যেমন সদরঘর, বিশ্রামকক্ষ, বিচারালয়, পেয়াদাদের ঘর এবং অস্তাবল আজও বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই স্থাপনাটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও স্থাপত্য শৈলীর জন্য আজও মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
কিভাবে যাবেন
ঢাকার যেকোনো স্থান থেকে প্রথমে মিরপুর ১ নম্বর সেক্টরে আসুন। সেখান থেকে আলিফ এন্টারপ্রাইজ, কিরণমালা পরিবহন বা শতাব্দী পরিবহনের বাসে সরাসরি বিরুলিয়া ব্রিজে যাওয়া যায়। এছাড়া, মিরপুর ১ থেকে লেগুনা নিয়েও বিরুলিয়া ব্রিজ পৌঁছানো সম্ভব।
আরেকটি উপায় হলো—আব্দুল্লাহপুর, বাইপাইল বা আশুলিয়া থেকে মিরপুর বেরিবাধ হয়ে মিরপুর ১-গামী যানবাহনে উঠে বিরুলিয়া ব্রিজে যাওয়া।
বিরুলিয়া ব্রিজে পৌঁছানোর পর স্থানীয় কাউকে জিজ্ঞাসা করলে তারা আপনাকে বিরুলিয়া জমিদার বাড়ির রাস্তা দেখিয়ে দেবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই
প্রথম মন্তব্য করুন এবং আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন!