মাদারীপুর
মাদারীপুর সদর উপজেলার মিঠাপুরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হলো মিঠাপুর জমিদার বাড়ি (Mithapur Zamindar Bari)। শিলালিপি বা নথিপত্রের অভাবে এর নির্মাণের সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। ধারণা করা হয়, জমিদার গোলাম ছাত্তার চৌধুরী, জমিদার গোলাম মাওলা চৌধুরী এবং প্রফেসর জি. ডব্লিউ. চৌধুরী এই জমিদার বংশের উত্তরসূরি ছিলেন।
মিঠাপুর জমিদার বাড়ির অসাধারণ নির্মাণশৈলী, সূক্ষ্ম টেরাকোটা কারুকাজ এবং প্রাচীন স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন উপভোগ করতে প্রতিদিন বহু পর্যটক এখানে ভিড় করেন। বাড়িটির পেছনে একটি ছোট পুকুর ও শান বাঁধানো ঘাট রয়েছে, যা এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে।
কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে সড়কপথে মাদারীপুরের দূরত্ব প্রায় ১২৮ কিলোমিটার। ঢাকার গাবতলি ও কেরানীগঞ্জ (নয়া বাজার ব্রীজের ওপারে) থেকে সরাসরি মাদারীপুরগামী বাস পাওয়া যায়। গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সার্বিক পরিবহন, চন্দ্রা পরিবহন এবং সোহেল পরিবহনের বাস নিয়মিত ছেড়ে যায়। সায়েদাবাদ থেকেও মাদারীপুরগামী বাস চলে।
সরাসরি বাসের টিকিট সংগ্রহ করাই ভালো। জনপ্রতি ভাড়া সাধারণত ৩৫০–৪০০ টাকা (পরিবর্তন হতে পারে)। ঢাকা থেকে মাদারীপুর পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা। জেলা সদরে নেমে অটোরিকশা বা স্থানীয় যেকোন পরিবহণে মিঠাপুর গেলে আশেপাশের কাউকে জিজ্ঞেস করলেই জমিদার বাড়ির অবস্থান জানিয়ে দেবে।
এছাড়া, গাবতলি থেকে বরিশালগামী যেকোন বাসে চড়ে মোস্তফাপুর নেমে সেখান থেকে অটোরিকশা বা বাসে মাদারীপুর সদরে আসা যায়।
কোথায় থাকবেন
মাদারীপুরে বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—
- হোটেল সার্বিক – 01788-812111
- হোটেল জাহিদ – 01911-106832
- হোটেল মেট্রো – 01751-544337
- হোটেল লেক ভিউ – 01771-000471
এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতেও থাকার ব্যবস্থা আছে।
কোথায় খাবেন
মাদারীপুরে নানান মানের হোটেল ও রেস্টুরেন্টে দিনের খাবারের চাহিদা সহজেই পূরণ করা যায়। সুযোগ হলে মাদারীপুর সদরের কাছে শকুনি লেক এলাকায় চটপটি, ফুচকা ও স্থানীয় সুস্বাদু মিষ্টি অবশ্যই ট্রাই করে দেখবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই
প্রথম মন্তব্য করুন এবং আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন!