ঢাকা
১৯২১ সালের ১লা জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (University of Dhaka) তার যাত্রা শুরু করে রাজধানীর শাহবাগে প্রায় ৬০০ একর জমির উপর। বাংলাদেশের প্রথম এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে ৩টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এতে রয়েছে ১৩টি অনুষদ, ৮৩টি বিভাগ ও ১২টি ইনস্টিটিউট, যেখানে প্রায় ৩৮,০০০ শিক্ষার্থী এবং ১,৮০৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। প্রগতিশীল চিন্তার পীঠস্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার তরুণ সমাজের মাধ্যমে অসংখ্য ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে। মেধা, মনন ও গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয় "প্রাচ্যের অক্সফোর্ড" হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে।
কি ঘুরে দেখবেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাংলাদেশের ইতিহাসের গৌরবময় অধ্যায়ের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে নানান ঐতিহাসিক স্থাপনা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কার্জন হল, কলা ভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, তিন নেতার সমাধিসৌধ, চারুকলা ইনস্টিটিউট, সিনেট ভবন, বকুলতলা, কেন্দ্রীয় মসজিদ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি, বাংলা একাডেমি, ভাষা শহীদদের স্মৃতিসৌধ শহীদ মিনার, ডাকসু ভবন, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), অপরাজেয় বাংলা ও রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর, মধুর ক্যান্টিন, হাকিম চত্বর, মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ। এছাড়াও রয়েছে শতবর্ষী গাছগাছালি, মনোরম পুকুর, বর্ণিল ফুলের বাগান এবং স্থাপত্য শিল্পের অনন্য নিদর্শন হিসেবে সুউচ্চ অট্টালিকাসমূহ।
কিভাবে যাবেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন ধরনের গণপরিবহন পাওয়া যায়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস সার্ভিসও রয়েছে। আপনার সুবিধামতো যানবাহন ব্যবহার করে সহজেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খাবারের জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় স্থান রয়েছে, যেমন মধুর ক্যান্টিন, টি.এস.সি, ডাকসু, হাকিম চত্বর এবং সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনের দোকানগুলো। এখানে আপনি পেয়ে যাবেন লাল চা, সমুচা, চপ, সিঙ্গারা, চিকেন প্যাটিসের মতো হালকা খাবার। এছাড়াও ভাত, ডাল, আলুভর্তা, মুরগির মাংসের তরকারি, মুরগি ও ডিমের খিচুড়ি এবং তেহারির মতো ভারী খাবারও পাওয়া যায়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই
প্রথম মন্তব্য করুন এবং আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন!