ফেনী জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

ফেনী জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

ফেনী জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ ফেনী জেলার মুসলমানদের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ২০২৬ সালের জন্য সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। এই সময়সূচি চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে কার্যকর হবে, তাই রোজাদাররা আরও নির্ভুলভাবে তাদের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।

 নওগাঁ জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

ফেনী জেলার রোজাদাররা এবার নিজ জেলার নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সহজে সেহরি ও ইফতার করতে পারবেন। আগে যেভাবে ঢাকার সময়ের সঙ্গে দূরত্ব হিসাব করে সময় যোগ-বিয়োগ করতে হতো, এবার তার প্রয়োজন নেই।

ফেনী জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

রমজান মাসকে তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে — রহমতের ১০ দিন, মাগফিরাতের ১০ দিন, নাজাতের ১০ দিন। প্রতিদিনের সাহর ও ইফতার সময় অনুযায়ী সঠিকভাবে উপবাস পালন করতে নিচের সময়সূচি অনুসরণ করুন।

রহমতের ১০ দিন

দিনতারিখবারসাহর শেষফজরের ওয়াক্তইফতার সময়
১৯ ফেব্রুয়ারীবৃহস্পতি৫:০৭ AM৫:১০ AM৫:৫৪ PM
২০ ফেব্রুয়ারীশুক্র৫:০৬ AM৫:০৯ AM৫:৫৪ PM
২১ ফেব্রুয়ারীশনি৫:০৬ AM৫:০৯ AM৫:৫৫ PM
২২ ফেব্রুয়ারীরবিবার৫:০৫ AM৫:০৮ AM৫:৫৫ PM
২৩ ফেব্রুয়ারীসোম৫:০৪ AM৫:০৭ AM৫:৫৬ PM
২৪ ফেব্রুয়ারীমঙ্গল৫:০৩ AM৫:০৬ AM৫:৫৬ PM
২৫ ফেব্রুয়ারীবুধ৫:০৩ AM৫:০৬ AM৫:৫৭ PM
২৬ ফেব্রুয়ারীবৃহস্পতি৫:০২ AM৫:০৫ AM৫:৫৭ PM
২৭ ফেব্রুয়ারীশুক্র৫:০১ AM৫:০৪ AM৫:৫৮ PM
১০২৮ ফেব্রুয়ারীশনি৫:০০ AM৫:০৩ AM৫:৫৮ PM

মাগফিরাতের ১০ দিন

দিনতারিখবারসাহর শেষফজরের ওয়াক্তইফতার সময়
১১০১ মার্চরবিবার৫:০০ AM৫:০৩ AM৫:৫৯ PM
১২০২ মার্চসোম৪:৫৯ AM৫:০২ AM৫:৫৯ PM
১৩০৩ মার্চমঙ্গল৪:৫৮ AM৫:০১ AM৬:০০ PM
১৪০৪ মার্চবুধ৪:৫৭ AM৫:০০ AM৬:০০ PM
১৫০৫ মার্চবৃহস্পতি৪:৫৬ AM৪:৫৯ AM৬:০১ PM
১৬০৬ মার্চশুক্র৪:৫৫ AM৪:৫৮ AM৬:০১ PM
১৭০৭ মার্চশনি৪:৫৪ AM৪:৫৭ AM৬:০২ PM
১৮০৮ মার্চরবিবার৪:৫৩ AM৪:৫৬ AM৬:০২ PM
১৯০৯ মার্চসোম৪:৫২ AM৪:৫৫ AM৬:০৩ PM
২০১০ মার্চমঙ্গল৪:৫২ AM৪:৫৪ AM৬:০৩ PM

নাজাতের ১০ দিন

দিনতারিখবারসাহর শেষফজরের ওয়াক্তইফতার সময়
২১১১ মার্চবুধ৪:৫১ AM৪:৫৩ AM৬:০৩ PM
২২১২ মার্চবৃহস্পতি৪:৫০ AM৪:৫২ AM৬:০৪ PM
২৩১৩ মার্চশুক্র৪:৪৯ AM৪:৫২ AM৬:০৪ PM
২৪১৪ মার্চশনি৪:৪৮ AM৪:৫১ AM৬:০৫ PM
২৫১৫ মার্চরবিবার৪:৪৭ AM৪:৫০ AM৬:০৫ PM
২৬১৬ মার্চসোম৪:৪৬ AM৪:৪৯ AM৬:০৬ PM
২৭১৭ মার্চমঙ্গল৪:৪৫ AM৪:৪৮ AM৬:০৬ PM
২৮১৮ মার্চবুধ৪:৪৪ AM৪:৪৭ AM৬:০৬ PM
২৯১৯ মার্চবৃহস্পতি৪:৪৩ AM৪:৪৫ AM৬:০৭ PM
৩০২০ মার্চশুক্র৪:৪২ AM৪:৪৪ AM৬:০৭ PM

রোজার আরবি নিয়ত

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

রোজার নিয়তের বাংলা উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

রোজার নিয়তের অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

ইফতারের দোয়া আরবি উচ্চারণ

بسم الله اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ

ইফতারের দোয়া বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু।

ইফতারের দোয়ার বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিজিজের মাধ্যমে  ইফতার করছি। (মুআজ ইবনে জাহরা থেকে বর্ণিত, আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

ফেনী জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ ইমেজ ডাউনলোড

সাহরি, ইফতারের গুরুত্ব ও ফজিলত

রমজান মাস আমাদের জীবনের এক বিশেষ পবিত্র সময়, যা হৃদয়ে নতুন চেতনা ও আধ্যাত্মিক শক্তি জাগিয়ে তোলে। এটি কেবল উপবাসের মাস নয়, বরং আত্মসংযম, ধৈর্য এবং আল্লাহর নৈকট্য অনুভব করার এক অনন্য সুযোগ। প্রতিদিন সঠিক সময়ে সেহরি ও ইফতার করা রোজার সৌন্দর্য এবং পূর্ণতা বজায় রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফেনীর জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সময়সূচি অনুসরণ করলে রোজা পালন করা হয়ে যায় সহজ, নিয়মিত ও শান্তিপূর্ণ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আন্তরিক নিয়ত ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সৎ ইচ্ছা। সেহরি, ইফতার ও রোজার নিয়ত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে ইবাদতে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় এবং অন্তরে শান্তি আসে। সুন্নাহ মেনে চলা এবং সময়ের প্রতি সচেতন থাকা আমাদের রমজানকে রহমত, মাগফিরাত এবং অসংখ্য ফজিলতের কাছাকাছি নিয়ে যায়।

উপসংহার

রমজান শুধু রোজার মাস নয়; এটি আমাদের হৃদয় ও মনকে আলোর আলোয় উজ্জীবিত করে, আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি করে এবং চিন্তার নতুন দিশা দেখায়। এই মাস আমাদের শেখায় ধৈর্য্য, আত্মসংযম এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাহাত্ম্য। নিয়মিত সেহরি ও ইফতার সময়মতো পালন করলে রোজার সৌন্দর্য ও পূর্ণতা আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে, ফেনী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করলে রোজা হয়ে ওঠে আরও সুশৃঙ্খল, সহজ ও শান্তিপূর্ণ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অন্তরের খাঁটি নিয়ত ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ইচ্ছা। যখন সেহরি, ইফতার এবং রোজার নিয়ম সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকে, তখন ইবাদতে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় এবং হৃদয়ে আসে গভীর শান্তি। সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন যাপন এবং সময়ের প্রতি সচেতন থাকা আমাদের রমজানকে রহমত, মাগফিরাত ও অসংখ্য ফজিলতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ করে তোলে।

Comments (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই

প্রথম মন্তব্য করুন এবং আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন!

আপনার মন্তব্য লিখুন